রেজিস্ট্রিকৃত দলিল ভুল সংশোধনের জন্য বাতিল করার পদ্ধতি জেনে নিন / জাল দলিল বাতিল করার নিয়ম:::
#রেজিস্ট্রিকৃত দলিল ভুল সংশোধনের জন্য বাতিল করার পদ্ধতি জেনে নিন / জাল দলিল বাতিল করার নিয়ম:::
সম্পত্তি হস্তান্তরের বিভিন্ন দলিল যেমন, সাফ কবলা, দানপত্র, হেবার ঘোষণাপত্র, হেবাবিল এওয়াজ ইত্যাদি দলিল কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে বাতিলের প্রয়োজন হলে তা রেজিস্ট্রি অফিস কর্তৃক বা অন্যকোনভাবে বাতিল করার সুযোগ নেই। এক্ষেত্রে অবশ্যই আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে বাতিলের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হয়।
#অন্যদিকে কিছু দলিল রয়েছে যেগুলো সম্পত্তি হস্তান্তর সংক্রান্ত নয় সেগুলো সংশ্লিষ্ট দলিলের পক্ষগণ সকলের সম্মতিতে রেজিস্ট্রি অফিসে "বাতিলকরণ দলিল” রেজিস্ট্রির মাধ্যমে বাতিল করতে পারেন। যেমন-
বায়নাপত্র দলিল, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি (আমমোক্তারনামা) দলিল, উইল দলিল, অছিয়ত দলিল, চুক্তিপত্র দলিল।
#দলিল বাতিলের মামলার পর যদি রায় প্রাপ্ত হন তবে রায়ের কপি সংশ্লিষ্ট সাব- রেজিস্ট্রারের বরাবর পাঠাতে হবে।
আদালতের আদেশ প্রাপ্তির পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, দলিলটি রেজিস্টার বইয়ের যে পৃষ্টায় নকল হয়েছে সেখানে বিলুপ্তির বিষয়ে টীকা লিপিবদ্ধ করবেন।
দলিল বাতিল করার ক্ষেত্রে কিছু তথ্য হলোঃ-
১. কোন লিখিত দলিল বাতিল বা বাতিলযোগ্য হলে।
২. যদি বাদীর যুক্তিসংগত আশঙ্কা থাকে যে, এরুপ দলিল যদি অনিস্পন্ন থেকে যায় তাহলে বাদীর অপুরনীয় ক্ষতির কারন সৃষ্টি হইতে পারে।
৩. উক্ত ক্ষতির কারণ গুরুত্বর হবে।
৪. আদালত তাহার ইচ্ছাধীন বা বিবেচনামুলক ক্ষমতা বলে রায় প্রদান করিতে পারে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসেবে দলিল ত্যাগের আদেশ প্রদান করিতে পারে।
৫. দলিলটি জাল বা প্রতারণামুলকভাবে সৃষ্টি হতে হইবে।
৬. আংশিক দলিল বাতিলের বেলায় বাতিলকৃত অংশ অনান্য অংশ হতে সম্পুর্ণ আলাদা হতে হবে।
৭. উক্ত বিষয় অবগত হওয়ার ৩ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করিতে হইবে।
৮. দলিল বাতিলের মামলায় বাদীকে পরিস্কার হাতে আসতে হবে।

কোন মন্তব্য নেই